ENGLISH ঢাকাঃ সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ০৯:১৭

প্রকাশিত : বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ০৪:৫৪:২৭ পূর্বাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

অংশগ্রহণ মূলক নির্বাচন করায় বড় চ্যালেঞ্জ

দ্যা ডেইলি ডন

বর্তমান নির্বাচন কমিশনের এক বছর পূর্ণ হচ্ছে বৃহস্পতিবার। গত বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি কে এম নূরুল হুদা নেতৃত্বাধীন কমিশন শপথ গ্রহণ করেছিলো। নিজেদের প্রথম বছরে তেমন দৃশ্যমান সাফল্য দেখানোর সুযোগও আসেনি ইসির। দায়িত্ব গ্রহণের কিছু পর থেকেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। তবে নিজেদের নির্ধারিত রোডম্যাপ অনুসারে এগুতে পারেনি সাংবিধানিক সংস্থাটি।

নির্বাচনী কাজে গতিহীনতা দেখা দিয়েছে। তবে নির্বাচনের বছর ইসির কাছে গতি আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। ইসির নতুন বছরে পাঁচ সিটি ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণ ও সুষ্ঠু ভোট গ্রহণই ইসির বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

সিইসি কেএম নুরুল হুদা বলেছেন, ‘এ বছর রোডম্যাপসহ সংসদ নির্বাচনের সকল কাজ আরো গতি পাবে। আমরা চাই সকল দল আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশ নেক। সে লক্ষ্যে কমিশন কাজ করে  যাচ্ছে।’

বর্তমান ইসির অধিনে কুমিল্লা ও রংপুর সিটিসহ স্থানীয় সরকার পর্যায়ের কিছু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে কুমিল্লা নির্বাচনে কিছু বিশৃঙ্খলা হলেও রংপুর সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ায় বর্তমান ইসির প্রতি কিছুটা আস্থা জেগেছে। চলতি বছর জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছাড়াও পাঁচ সিটি করপোরেশনে ভোটগ্রহণ করতে হবে। এসব নির্বাচনসহ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষে কাজ করছে ইসি।   

সিটি নির্বাচন
গাজীপুর সিটি করপোরেশনে ভোট হয়েছে ২০১৩ সালের ৬ জুলাই। ভোট করতে হবে হবে এ বছর ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। সিলেট সিটিতে ভোট হয়েছে ২০১৩ সালের ১৫ জুন। ভোট করতে হবে ৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। খুলনা সিটিতে ভোট করতে হবে ২৫ সেপ্টম্বরের মধ্যে। রাজশাহীতে ভোট করতে হবে ৫ অক্টোবরে মধ্যে। এছাড়া বরিশাল সিটিতে ভোট করতে হবে আগামী ২৩ অক্টোবরের মধ্যে। এ বছরের মাঝামাছি একই দিনে এসব সিটিতে ভোট করতে চায় ইসি। এছাড়া আগামী ডিসেম্বরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি। আ.স

loading...

আরো খবর

    ট্যাগ নিউজ