ENGLISH ঢাকাঃ সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৭:১১

প্রকাশিত : রোববার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ০৪:২১:৪০ অপরাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

সেই খুনি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

দ্যা ডেইলি ডন

শনিবার দুপুরে রাজধানীর মেরুল বাড্ডার কাঁচাবাজারে আবুল বাশার বাদশা নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যার পর পালিয়ে যাওয়ার  হাতিরঝিলে জনতার হাতে ধরা পড়ে ওই দুর্বৃত্ত।  নুরুল ইসলাম ওরফে নুরি নামে ওই দুর্বৃত্তকে পরে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে একটি রিভলবার ও ৬টি গুলি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার হওয়া  নূরুল ওরফে নূরা একজন সন্ত্রাসী। তিনি বনানীর এমএস মুন্সি ওভারসিজ (জনশক্তি রফতানি) প্রতিষ্ঠানের মালিক সিদ্দিক হোসেন মুন্সী (৫০) হত্যা মামলার আসামি। গ্রেপ্তারের পর রাতে তাকে সঙ্গে নিয়ে অন্য সন্ত্রাসীদের ধরতে বাড্ডায় সাতারকুল এলাকায় অভিযানে যায় পুলিশ।  সেখানে ওঁৎ পেতে থাকা তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি করলে নুরুল ইসলাম গুলিবিদ্ধ হন। পরে নুরিকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিলে রোববার ভোরে সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।  ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে তার লাশ রেখে যায় পুলিশ।

বাড্ডা থানার এএসআই সামসুল হক জানান,  শনিবার দুপুর ১টার দিকে রাজধানীর মেরুল বাড্ডার মাছ বাজার এলাকায় আবুল বাসার বাদশা (৩২) নামের এক ব্যক্তিকে গুলি করে পালিয়ে যাচ্ছিলেন নূরা। এ সময় জনতার সহায়তায় হাতিরঝিল থেকে তাকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে পালিয়ে যায় অন্য সহযোগীরা।

বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী ওয়াজেদ আলী শনিবার  বলেন, নিহত যুবক বাদশার বাড়ি টঙ্গীতে। দুজন একই গ্রুপের। তাদের মধ্যে এক সময় সুসম্পর্ক ছিল। আটককৃত নুরুল ইসলাম বড় একজন সন্ত্রাসী। অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরেই ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে। ঘটনাস্থলে চার হামলাকারী উপস্থিত ছিল।
পুলিশের ধারণা, নুরুল ইসলাম বাড্ডার সন্ত্রাসী মেহেদী-রায়হান গ্রুপের সদস্য। পূর্বশত্রুতা ও মাদক ব্যবসার আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। নিহত বাদশা পুলিশের খাতায় মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে নাম অন্তর্ভুক্ত করা আছে

আরো খবর

    ট্যাগ নিউজ

    সর্বশেষ খবর