ENGLISH ঢাকাঃ বুধবার, ২৩ মে ২০১৮, ০৩:৪১

প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ০২:৪৭:৩৬ পূর্বাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

ব্লাড ডোনেশনের নামে প্রশ্নফাঁস!

দ্যা ডেইলি ডন

রোববার ঢাকার উত্তরখান ও গাজীপুর থেকে ফেসবুকে এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। তারা ফেসবুকে ব্লাড ডোনেশনের (রক্তদান) নামে গ্রুপ খুলে চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেগুলো ছড়িয়ে দেয়। তাদের মধ্যে চার শিক্ষকসহ ‘রকি ভাই’ নামের ফেসবুকের একটি গ্রুপের অ্যাডমিনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। এ সময় তাদের কাছ আটটি মোবাইল ফোনসেট ও একটি ট্যাব জব্দ করা হয়। 

গ্রেপ্তার পাঁচজন হলেন- তানভীর হোসেন (২৯), হাসানুর রহমান ওরফে রকি ভাই (২৯), মো. সজীব মিয়া (২৬), মো. এনামুল হক (২৭) ও মো. ইব্রাহিম (২১)। 

র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ফেসবুকে ব্লাড ডোনেশনের নামে গ্রুপ খুলে প্রশ্নফাঁস করতো। ফেসবুকে তাদের ব্লাড ডোনেশন-১,২,৩ নামের বেশ কয়েকটি গ্রুপ রয়েছে।

র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান জানান, গ্রেপ্তার সজীব মিয়া ক্যামব্রিজ হাই স্কুলের হিসাব বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক। মো. ইব্রাহিম ও মো. এনামুল হক সৃজনশীল কোচিং সেন্টারের শিক্ষক। তানভীর হোসেন উত্তরখানের ক্যামব্রিজ হাই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। তিনি মূলত ফাঁস হওয়া প্রশ্ন নিয়ে দ্রুত সমাধানের কাজ করে দিতেন।

মুফতি মাহমুদ খান আরও জানান, ট্যাবের ইলেক্ট্রনিকস ডিভাইসের ভেতরে এসএসসি পরীক্ষার বিভিন্ন প্রশ্নপত্রও মিলেছে। এই চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। 

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হাসানুর রহমান একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। তার ফেসবুক আইডির নাম ‘রকি ভাই’। প্রশ্নপত্র সরবরাহের ক্ষেত্রে তার বেশ খ্যাতি আছে।গত চার বছর ধরে প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত হাসানুর। তিনি পরীক্ষা শুরু হওয়ার দুই মাস আগে থেকেই ফেসবুকসহ হোয়াটস অ্যাপ, ইমো নামের চ্যাটিং অ্যাপে বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক মানি ট্রান্সফার আইডি দিয়ে প্রচারণা করতে শুরু করেন। ওই প্রচারণায় উল্লেখ করা হয়- প্রশ্ন পেতে হলে, দুই হাজার টাকার বিনিময়ে গ্রুপের সদস্য হতে হবে।

পরীক্ষার দিন ভোরে হাসানুর রহমান ফাঁস হওয়া প্রশ্ন গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষকদের কাছে সরবরাহ করতেন। শিক্ষকরা খুব কম সময়ের মধ্যে প্রশ্নপত্রগুলো সমাধান করে হাতে লেখা উত্তরপত্র সরবরাহ করতেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা র‍্যাবকে জানিয়েছেন, ব্লাড ডোনেশন-১, ব্লাড ডোনেশন-২ ও ব্লাড ডোনেশন-৩ নামের গ্রুপ খুলে তারা প্রশ্ন ফাঁস করতো। ওই গ্রুপগুলো যাতে প্রশ্ন ফাঁসের জন্য ব্যবহারিত হচ্ছে বলে মনে না হয়, সে জন্য এ কৌশল অবলম্বন করে তারা।

loading...

আরো খবর

    ট্যাগ নিউজ

    loading...

    সর্বশেষ খবর