ENGLISH ঢাকাঃ শুক্রবার, ২৫ মে ২০১৮, ০৮:৩৮

প্রকাশিত : সোমবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৫:০১:২০ অপরাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

স্বীকৃতি পেতে ইউনেস্কোতে যাচ্ছে রিকশা ও রিকশাচিত্র

দ্যা ডেইলি ডন

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেতে ইউনেস্কোতে যাচ্ছে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী রিকশা ও রিকশাচিত্র। এরই মধ্যে এ জন্য সংস্থাটির কাছে মনোনয়নপত্র পাঠিয়েছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়। ২০১৮ সালের ২৬ নভেম্বর থেকে ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মরিশাসের পোর্ট লুইসে ইউনেস্কোর 'স্পর্শাতীত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যবিষয়ক আন্তঃরাষ্ট্রীয় কমিটি'র (ইন্টার-গভর্নমেন্টাল কমিটি অন ইনট্যানজিবল হেরিটেজ) ১৩তম সভা হবে।    


২০১২ সালে ইউনেস্কো স্বতঃপ্রণোদিতভাবে বাংলাদেশের বাউলসঙ্গীতকে সংস্থাটির স্পর্শাতীত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত করে। ২০১৩ সালে জামদানিও একই স্বীকৃতি পায়। পরের বছরগুলোয় যথাযথ নিয়মে আবেদন না করায় তালিকা থেকে বাদ পড়ে যাত্রাপালা ও নকশিকাঁথার মতো সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। তবে তিন বছর পর ২০১৬ সালে বাংলা নববর্ষভিত্তিক শোভাযাত্রা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মঙ্গল শোভাযাত্রা ও চলতি বছর সিলেটের শীতলপাটির বুনন শিল্পকে স্পর্শাতীত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।


সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খানের তত্ত্বাবধানে গবেষণা, সংকলন ও ফোকলোর বিভাগের পরিচালক শাহিদা খাতুনের নেতৃত্বে সংশ্নিষ্ট আন্তঃরাষ্ট্রীয় কমিটির কাছে পাঠানোর জন্য ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্রের মনোনয়নপত্র তৈরি করেছেন ড. ফিরোজ মাহমুদ। এর আগে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জামদানি বুনন শিল্পী এবং মঙ্গল শোভাযাত্রার মনোনয়নপত্রও তিনি তৈরি করেন।


ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্রের মনোনয়নপত্র প্রণয়নকারী ড. ফিরোজ মাহমুদ বলেন, 'এ প্রক্রিয়ায় বিশ্ব মানবতার সঙ্গে পাঠানো উপাদানটির সম্পৃক্ততা তুলে ধরে সংক্ষিপ্ত একটি বর্ণনা, ১০টি আলোকচিত্র এবং ১০ মিনিটের একটি তথ্যচিত্র সংযুক্ত করে মনোনয়নপত্র তৈরি করা হয়। ছয়জন স্পর্শাতীত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বিশেষজ্ঞ উপাদানটির পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতেই ২৪ রাষ্ট্র সদস্যবিশিষ্ট ইউনেস্কোর আন্তঃরাষ্ট্রীয় কমিটি যাচাই-বাছাই করে অনুমোদন দেয়।' তিনি বলেন, এ মনোনয়নপত্র তৈরির জন্য একটি বিশেষজ্ঞ দল তৈরি করতে হবে।


তা হলে ভবিষ্যতে আরও উপাদান বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হতে পারবে।


এ বিষয়ে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, প্রতিবছর আমরা একটি করে উপাদান স্বীকৃতির জন্য পাঠাব। ২০১৮ সালে ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্র পাঠানো হচ্ছে। আগামী দিনের পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে বিশেষজ্ঞ দল গঠনের পরিকল্পনা করছি। সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতের বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে মনোনয়নপত্র পাঠানো হবে।


ইউনেস্কোর স্পর্শাতীত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেতে এরই মধ্যে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রাথমিকভাবে ১০টি উপাদানের বর্ণনাসহ তালিকা তৈরি করেছে। যেগুলোর মধ্যে রয়েছে- নকশিকাঁথা, পটচিত্র, শীতলপাটি, দানুশিল্প, সাভারের তামা-কাঁসা-পিতলের শিল্পকর্ম, ধামরাইয়ের কাঁসাশিল্প, ঢাকার রিকশা ও রিকশায় আঁকা চিত্রকর্ম, টাঙ্গাইলের ঝুড়ি শিল্প ইত্যাদি।

loading...

আরো খবর

    ট্যাগ নিউজ

    loading...

    সর্বশেষ খবর