ENGLISH ঢাকাঃ শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ০৩:২৫

প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০১৭ ০৪:৫৫:৪৮ অপরাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

ওরে বাবা, কিং কোবরা!

দ্যা ডেইলি ডন

 ‘খা খা খা বক্কিলারে খা’ বলে হাঁটু দুলিয়ে হাতের নানা কসরত করে সাপুড়ে যখন সাপখেলা দেখায়, তখন আমরা ছোট-বড় সবাই রোমাঞ্চিত হই, শিহরিত হই বিষধর সাপের ফণা আর ফোঁস ফোঁস শব্দে। আরও শিহরিত হই সাপ সম্পর্কে সাপুড়ের বিভিন্ন ভয়ঙ্কর গল্প শুনে। যদিও গল্পগুলোর কোনো নির্ভরযোগ্য ভিত্তি নেই এবং অধিকাংশই তাদের বানানো। তবে একটা সত্য, আমাদের প্রায় সবারই সাপ দেখার প্রথম অভিজ্ঞতা সাপুড়েদের কাছেই। সাপুড়েদের কাছে বিভিন্ন ধরনের সাপ থাকে। বিষাক্ত সাপ যেমন থাকে, তেমনি থাকে বিষহীন সাপও। তবে তারা সবগুলোই বিষাক্ত সাপ বলে চালিয়ে দেয়। আর বিষধর সাপ নিয়ে খেলা করার আগে বিষদাঁত ভেঙে নেয়।

সাপুড়েরা যে সাপ দিয়ে খেলা দেখাতে সবচেয়ে আনন্দ পায়, তার নাম কোবরা। কারণ এ সাপের তোড়জোড় বেশি, দীর্ঘদেহী, বেশি তড়পায় আর গর্জন পিলে চমকানোর মতো। তবে এ সাপ সম্পর্কে সাপুড়েরা যেসব তথ্য দেয়, তার প্রায় সবই ভুল। সত্য হচ্ছে, বিষাক্ত সাপ পরিবারের অন্যতম সদস্য হচ্ছে কোবরা। ভীতি প্রদর্শনকারী চাহনি, গর্জন আর মারাত্মক দংশনকারী হিসেবে এরা পরিচিত। কোবরা রেগে গেলে অথবা বিরক্ত হলে ভয়ঙ্কর ফণা তোলে, যা দেখে তাদের জাতটা ভালোভাবে চেনা যায়। মাথার দুই পাঁজর প্রসারিত করে এরা ফণা সৃষ্টি করে। ফিলিপাইনস, দণি এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় সর্বত্রই এই সরীসৃপটির দেখা মেলে।

গোখরা দিবাচর। বসতবাড়ির আশপাশে এরা খুব দ্রুত চলাফেরা করে। ইঁদুর এদের প্রিয় খাদ্য। তবে মাঝে মধ্যে পাখি, উভচর প্রাণী কিংবা মাছও খায়। এদের আরেক বৈশিষ্ট্য হলো নিজের জাতিদেরও ধরে খায়। অর্থাৎ কোবরা সর্পভুক। নির্বিষ-বিষাক্ত দুই ধরনের সাপই এরা খায়। গোখরার বিষ ফুসফুস অবশ করে এবং হৃৎপি- নিষ্ক্রিয় করে। তাই এ সাপের দংশনের শিকার হলে যে কেউ দ্রুত মারা যায়। মানুষের মৃত্যুর জন্য যেখানে কোবরার ১ মিলিগ্রাম বিষই যথেষ্ট, সেখানে কোবরা ঢেলে দেয় প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম বিষ। বাংলাদেশের সিলেট, সুন্দরবন ও বৃহত্তর চট্টগ্রামে এদের দেখা যায় বেশি।

আরো খবর

    ট্যাগ নিউজ

    সর্বশেষ খবর