ENGLISH ঢাকাঃ মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১:১০

প্রকাশিত : বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ০১:৩১:২৪ পূর্বাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

খালেদা জিয়ার আপিল শুনানি বৃহস্পতিবার

দ্যা ডেইলি ডন

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত কারাবন্দি  বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করা হয়েছে।  মঙ্গলবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. সহিদুল করিম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আবেদনটিউপস্থাপন করা হয়। বৃহস্পতিবার ওই বেঞ্চে আপিলের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল রায়ের নথিপত্রসহ ১হাজার ২২৩ পৃষ্ঠার ওই আপিল আবেদনটি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় দাখিল করেন । সাজার রায়ের বিরুদ্ধে ৪৪টি যুক্তি দেখিয়ে খালেদা জিয়ার খালাস চাওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

আপিলের পর খালেদা জিয়ার অন্যতম আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, বৃহস্পতিবার আপিল গ্রহণের ওপর শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে। আপিল গ্রহণ করা হলে ওইদিনই জামিন আবেদন করা হবে। তার প্রত্যাশা; খালেদা জিয়া জামিন পাবেন।

 আপিলটি গ্রহণ করা হবে কি-না সে বিষয়ে শুনানির জন্য খালেদা জিয়ার পক্ষে মঙ্গলবার দুপুরের পর সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে আবেদনটি উপস্থাপন করেন সুপ্রিমকোর্ট বারের সভাপতি জয়নুল আবেদীন।

এ সময় রাষ্ট্রপক্ষ কোনো নথিপত্র হাতে পাননি জানিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, এটা অনেক বড় রায়। পড়তে সময় লাগবে। তিনি রোববার শুনানির দিন রাখার আবেদন করেন। বিচারক এ সময় বলেন,  বুধবার একুশে ফেব্রুয়ারি আদালত বন্ধ, দুদকের মামলা সাধারণত বুধবার ও বৃস্পতিবার শুনানির জন্য আসে। এটি বৃহস্পতিবার তালিকায় আসবে।

এ সময় আপিলের অনুলিপি মঙ্গলবারের মধ্যেই রাষ্ট্ররপক্ষ ও দুদককে সরবরাহ করতে খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের নির্দেশ দেন আদালত। আর খালেদা জিয়ার জামিনের আবেদন করা হলে তার কপিও আলাদাভাবে দুদককে সরবরাহ করতে বলা হয়। এ সময় ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারসহ বিএনপিপন্থি জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেন, রোববার শুনানির জন্য সময় চেয়েছিলাম, আদালত বৃহস্পতিবার শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান বলেন, খালেদা জিয়ার পক্ষে একটি আপিল দাখিল করা হয়েছে। আদালত তাদের আবেদন গ্রহণ করেছেন। বৃহস্পতিবার আপিলের গ্রহণযোগ্যতার ওপর শুনানির জন্য তালিকায় আসবে। তারা এ মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশনকে পক্ষ করেছেন। যদিও আপিল আবেদনের  কোনো কপি পাইনি। আপিলে মোকাবেলা করবো। সর্বতভাব আমরা প্রস্তুত।

গত ৮ ফেব্রুয়য়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। এ ছাড়া তারেক রহমানসহ মামলার বাকি পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড এবং দুই কোটি ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

ওই দিন রায় ঘোষণার পরপরই খালেদা জিয়াকে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়। এরপর কারাগারে ডিভিশন (প্রথম শ্রেণির বন্দীর মর্যাদা) চেয়ে আবেদন করেন খালেদার আইনজীবীরা। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে ডিভিশন দেওয়া হয় খালেদা জিয়াকে।  সোমবার বিকেলে ৬৩২ পৃষ্ঠার রায়ের অনুলিপি হাতে পান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

আরো খবর

    ট্যাগ নিউজ