ENGLISH ঢাকাঃ শনিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০১৯, ০৭:২২

প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮ ০৬:২৯:৪০ অপরাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

আ. লীগের ইশতেহারে থাকছে শত বছরের ডেল্টা প্ল্যান

দ্যা ডেইলি ডন

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের মনোনয়ন চূড়ান্ত করার পর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করবে আওয়ামী লীগ। টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসতে দলটির এবারের নির্বাচনী ইশতেহারেও বেশ কিছু চমক থাকছে। গ্রামীন উন্নয়নকে গুরুদেয়ার পাশাপাশি শত বছরের ডেল্টা প্ল্যানও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এই ইশতেহারে। ইতোমধ্যে নির্বাচনী ইশতেহারের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।  এখন চলছে সংযোজন বিয়োজনের কাজ। চূড়ান্ত হওয়ার পর দলের সভাপতি শেখ হাসিনার কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। এরপর বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হবে। ইশতেহারের সঙ্গে সম্পৃক্ত দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। 

দলটির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে,  ২০০৮ সালে ‘দিন বদলের সনদ’ নামে নির্বাচনী ইশতেহারে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশের প্রতিশ্রুতি ছিল। টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসতে ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের ইশতেহারের স্লোগান ছিল ‘শান্তি গণতন্ত্র উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।’ সেই ইশতেহারে ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করার ঘোষণা দিয়েছিল। টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসতে শত বছরের ডেল্টা প্ল্যান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে আওয়ামী লীগে নির্বাচনী ইশতেহারে। তবে এবারের নির্বাচনী ইশতেহারে গুরুত্ব পাচ্ছে গ্রামীন উন্নয়ন।  পাশাপশি গত ১০ বছরের সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরার পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য দীর্ঘমোদি পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে ইশতেহারে। এ ছাড়া তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও থাকছে এতে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদী মোকাবিলায় সরকারের সফলতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন শাসনামলের তুলনা করে রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের অপরিহার্যতা তুলে ধরা হয়েছে।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারের কাজ শেষের দিকে। কীভাবে চলমান এ উন্নয়নের গতিকে আরও ত্বরান্বিত করা যায়, সেটাই হবে আমাদের এবারের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রধান লক্ষ্য। দারিদ্র্য বিমোচন, তরুণদের কর্মসংস্থান এগুলো আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে থাকবে।

ইশতেহার তৈরির কাজের সঙ্গে যুক্ত দলের তথ্য গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন বলেন,  আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনী ইশতেহার প্রতিনিয়ত সংযোজন বিয়োজন করা হচ্ছে।  ইশতেহারের কাজ প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে চলে এসেছে। তিনি বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে আমরা বলেছিলাম দিনবদলের সনদ। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বলেছিলাম, শান্তি গণতন্ত্র উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এ বিষয়গুলো সামনে রেখেই সরকার কাজ করে গেছে। জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেছি। এখন আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই । এতে বাধা জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ, সন্ত্রাস, সাম্প্রদায়িকতা, দুর্নীতি। এগুলো অতিক্রম করার জন্য জাতিকে সুশাসন উপহার দিতে চাই। সেই বিষয়গুলো নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। এ ছাড়া ২০৪১ সালে বাংলাদেশ কোন পর্যায়ে নিয়ে যাবে, ২১০০ সালের ডেলটা পরিকল্পনা থাকবে। সংশ্লিষ্টরা জানান, এবারের ইশতেহারে কিছু বিষয়ে চমক রয়েছে। সেই চমক ইশতেহার ঘোষণার দিন দলের সভাপতির মুখ থেকেই উচ্চারিত হবে।

আরো খবর

    ট্যাগ নিউজ

    সর্বশেষ খবর